
ডিবিসি জার্নাল ডেস্ক : রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকারকে আওয়ামী লীগ নেতা সুনন্দন দাস রতনের ব্যক্তিগত গাড়িতে ঘুরতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা ঘটে ১১ জুন, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার খেতুরী ধাম এলাকায়।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিশ্বনাথ সরকার, তার ভাতিজা অলোক সরকার আলো এবং সেন্টু সরকার একটি কালো প্রাইভেটকার থেকে নামছেন। গাড়ির মালিক রতন, যিনি গোদাগাড়ী উপজেলা আ.লীগের সহ-প্রচার সম্পাদক এবং দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা।
ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে বলে সন্দেহ করছেন খেতুরী ধামের ট্রাস্টি বোর্ড। তাদের দাবি, বিএনপি নেতা বিশ্বনাথ সরকার মিথ্যা তথ্য দিয়ে ধামে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের আগমন ঘিরে একটি ‘মিলনমেলা’ আয়োজনের চেষ্টা করেছিলেন। অথচ, গয়েশ্বরের কোনো আগমনের পরিকল্পনা ছিল না।
এদিকে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট অভিযোগ করেছে, অনুষ্ঠানের আগের দিন স্থানীয় বিএনপি নেতা টুকু এক ভক্তকে মারধর করে ধাম থেকে বের করে দেন। যদিও টুকু এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়, ধামে পুলিশ মোতায়েন ছিল, সিসিটিভি ফুটেজে মারধরের কোনো প্রমাণ নেই। তারা অভিযোগ করেন, রতন ধামের ভেতর দিয়ে তার জমিতে রাস্তা নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন, এজন্য তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি বিএনপি নেতাদের দিয়ে বোর্ড ভাঙার ষড়যন্ত্র করছেন।
বিশ্বনাথ সরকার নিজে অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা দেবাশিষ রায় মধু জানান, তারা ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছেন, কারণ বর্তমান বোর্ডটি “সরকারঘনিষ্ঠদের দ্বারা গঠিত।”